সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ষড়যন্ত্র ও মানহানির শিকার : প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
২৭ আগ ২০২৫, ০৩:৪২ অপরাহ্ণ

সিলেটের ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. শামীম আহমদ এবং তার প্রতিবেশী আবুল মনসুর মো. রশিদ আহমদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ষড়যন্ত্র ও মানহানির শিকার হওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বুধবার (২৭আগস্ট) বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিএমজেএ), সিলেট বিভাগীয় কমিটি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মো. শামীম আহমদ বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মীম এন্ড শাম্মি এন্টারপ্রাইজ পরিচালনার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। তিনি ড্রীম সোসাইটি সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং দীর্ঘদিন ধরে অপরাধ বিষয়ক সাংবাদিকতা করছেন। বর্তমানে তিনি ‘অপরাধ জগত’ পত্রিকায় কাজ করছেন এবং বিভিন্ন অনিয়ম, মাদক চোরাচালান ও অবৈধ বালু উত্তোলনের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের কারণে একটি চক্র তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা তার নাটকে অভিনীত চরিত্রের ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে। এ ছাড়া নানা সময় তার কাছে চাঁদা দাবি ও অযৌক্তিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি তাকে ভুয়া দালাল ও পুলিশের সোর্স আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ অবস্থায় তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, চক্রটি যেকোনো সময় তার জানমালের ক্ষতি করতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আবুল মনসুর মো. রশিদ আহমদ বলেন, তিনি ২০২৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন। তার বাসস্থান শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আখালিয়াঘাট এলাকায়। সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যাচার শুরু করেছে।
তিনি জানান, গত ২৩ আগস্ট ‘জনতার প্রতিবাদ’ নামের একটি ফেসবুক আইডি/পেজ থেকে তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পোস্ট দেওয়া হয়। পরদিন ২৪ আগস্ট আক্তার হোসেন নামীয় একটি ফেসবুক আইডি থেকেও অনুরূপ পোস্ট করা হয়। এরপর অদ্য রাত ১টার দিকে ‘দৈনিক সুরমার ডাক’ নামের একটি আইডি থেকেও একই পোস্ট প্রচার করা হয়। এতে তার এবং তার পরিবারের সামাজিক মর্যাদা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। তিনি এ ঘটনায় আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে দুই ভুক্তভোগীই অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার মাধ্যমে তাদের সামাজিক ও পারিবারিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ওপর হুমকি সৃষ্টি করা হয়েছে। তারা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অবিলম্বে ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।