কানাইঘাটে বৈধভাবে বালু উত্তোলনে অসাধু চক্রের বাঁধা ও নানা ষড়যন্ত্র
২৬ আগ ২০২৫, ০৮:২১ পূর্বাহ্ণ

কানাইঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি :: সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় তারেক মো. আব্দুল্লাহ’র প্রতিষ্ঠান মেসার্স আপ্তাব এম্পোরিয়াম বৈধভাবে সুরমা নদী থেকে বালু উত্তোলন করতে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রাস্থ হচ্ছেন। তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সুরমানদীর নওয়াগাঁও বালু মহালটি এমনভাবে অবস্হিত যার এক পাশ জকিগন্জ উপজেলা অপর পাশ কানাইঘাট উপজেলায়। ইজারাটি দেওয়া হয়েছে সুরমা নদীর জকিগঞ্জ বারহাল এলাকা দিয়ে। কানাইঘাট উপজেলার দক্ষিণ বানীগ্রাম ইউনিয়ের বড়দেশ, ছোটদেশ, কায়েস্থগ্রাম, বাউরভাগ, লামাপাড়া, নিজ বাউর ভাগ পশ্চিম, উজানী পাড়া, গড়াইগ্রাম, বানীগ্রাম, সরদাড়ী পাড়া এলাকা নদীর পানি প্রবাহ যাতে সঠিক ভাবে প্রবাহিত হয় সে চিন্তা ধারা করে সরকার জকিগঞ্জ পারের ইজারা প্রদান করেছেন। এখানে প্রচার করা হচ্ছে কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ উপজেলার সুরমা নদী তীরবর্তী এলাকায় বেশ কিছু নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে যা সসম্পূর্ণ অপপ্রচার ও মিথ্যা।
ইজারা পাওয়ার পর থেকে এই প্রতিষ্ঠান থেকে এখনো কোনো বালু উত্তোলন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। বালু উত্তোলকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আফতাব এম্পোরিয়াম বৈধ ভাবে সরকারের রাজস্ব দিয়ে ইজারা পেয়েও বালু উত্তোলন করতে পারছেন না। এলাকার কতিপয় ব্যাক্তি বিভিন্নভাবে চাঁদা দাবী করলে চাদাঁ দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে যে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
এই বিষয়ে বারহাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী বলেন, বৈধভাবে বালু উত্তোলনের ইজারা এনে বালু উত্তোলন করতে পারছেন না মেসার্স আপ্তাব এম্পোরিয়াম। বিভিন্নভাবে স্থানীয় কতিপয় ব্যাক্তি এই প্রতিষ্ঠানকে হয়রানী করছেন।
দক্ষিণ বানীগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. লোকমান উদ্দিন জানান, তাদের ইজারা সম্পন্ন বৈধ। এই বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্তকর্তা সামছুল হক ইজারার বৈধতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা সরজমিনে গিয়ে তাদের নির্ধারিত এলাকা সমজিয়ে দিয়ে এসেছি। বৈধ ইজারা পাওয়ার পর বালু উত্তোলন করতে পারছেন না এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা বলেছি আমাদের পক্ষ থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়ে যে ধরণের সহযোগিতা প্রয়োজন আমরা করব।